রাজবাড়ী ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ রাজবাড়ীর কালুখালীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত বালিয়াকান্দিতে যথাযোগ্য মর্যাদায়  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কবিতা : চোখের আর্শিতে মোহ রাজবাড়ী জেলা যুবলীগের সভাপতি শওকত গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দি উপজেলা সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  ১০ম হতে ৯ম গ্রেড-এ উন্নীতকরণের দাবীতে রাজবাড়ী জেলার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের স্মারকলিপি প্রদান কবিতা : চোখ চাতুর্যে ডি. বি. পি বাজারে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সাথে বাজার পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল

মন্ত্রী বিলাস : উপসম্পাদকীয় মমতাজ হোসেন চৌধুরী

  • রাজবাড়ী সময় ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১২:৩২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৬৬৬ বার পড়া হয়েছে

মন্ত্রী বিলাস

——————

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট নেতা কর্মীরা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারন জনগনের কিয়দংশ গত দুদিন যাবত বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নাম বা তালিকা নিয়ে সরগরম ছিলেন , দেখা গেছে অনেকেই সম্ভাব্য মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন বা যাঁদের নাম আলোচনায় ছিল তাদের বাসা বাড়ীতে ফুলের তোড়া নিয়ে উপস্তিত হতে কার্পণ্য বোধ করেননি । তালিকা প্রকাশের পর এই জায়গায় অনেকের অবস্তান ছিল এমন , আমার জেলায় একটি বা দুটি বা আমার বিভাগে বেশী এ ধরনের হিসেব নিকাশ । এমনকি ভিন্ন মতাবলম্বী অনেকেই এলাকার মন্ত্রী পদ নিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন ।
মন্ত্রী নিয়ে গর্ববোধ বা শক্তিবোধ হতেই পারে যদিও মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কোন এলাকার নির্দিষ্ট প্রতিনিধি নন , উনি মাননীঁয প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত নির্দিষ্ট মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রের একজন দায়িত্বশীল অফিস বেয়ারার। এধরনের চাকুরী যে কোন সময় চলে যেতে পারে বা অনেক দেশে নিজের ব্যর্থতার দায়ে অনেকেই চলে যান । তবে এটা বলা যায় নিজ এলাকায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগপ্রাপ্ত হলে বিশেষ করে নিজ এলাকায় বড় ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আসতে সক্ষম হন ও সরকারী বাড়তি অনুদান, সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন , তাই নেতা কর্মীরা বেশী উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন ।
আমি নেত্রকোণা জেলার অধিবাসী , আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কমবেশী অনেকের সংগে পরিচিত , ২০১৮ সালে আমার জেলায় একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন , আমি খুশী হয়ে অভিনন্দন অবশ্যই জানিয়েছিলাম তবে অফিসে যোগদানের পর পাঁচ বছরে একদিন ও কোন কাজে অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি বা যায়নি যা ব্যক্তিগত বটে, এলাকার উন্নয়ন কতটুকু বাগিয়ে নিয়েছেন তা এলাকাবাসীর হাতেই রইলো ।

আমাদের বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগ আওয়ামী লীগের সুতিকাগার যা অনেক নির্বাচনে আমরা প্রমান রেখেছি । এমনকি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পিছনে ময়মনসিংহ অন্চলের সমর্থন বিরাট ভুমিকা রেখেছিল বলে অনেকেই জানেন । মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার । ভোটের বিবেচনায় আমরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অন্চল ও আমার নিজ জেলা নেত্রকোণায় গুরুত্বপুর্ন মন্ত্রনালয়ের প্রত্যাশা করি। আজ সন্ধ্যায় নুতন মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহনের মধ্য দিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হবে , আমরা সরকারের সফলতা কামনা করছি ও মন্ত্রী সভার সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই । জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা সকল চ্যালেন্জ মোকাবেলা করে দেশকে কাঙ্খিত লক্ষে পৌছে দিতে পারবে বলে আশাবাদী । শেখ হাসিনার হাতে থাকলে দেশ
পথ হারাবেনা বাংলাদেশ ।

Tag :

বালিয়াকান্দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন

মন্ত্রী বিলাস : উপসম্পাদকীয় মমতাজ হোসেন চৌধুরী

প্রকাশিত : ১২:৩২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

মন্ত্রী বিলাস

——————

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট নেতা কর্মীরা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারন জনগনের কিয়দংশ গত দুদিন যাবত বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নাম বা তালিকা নিয়ে সরগরম ছিলেন , দেখা গেছে অনেকেই সম্ভাব্য মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন বা যাঁদের নাম আলোচনায় ছিল তাদের বাসা বাড়ীতে ফুলের তোড়া নিয়ে উপস্তিত হতে কার্পণ্য বোধ করেননি । তালিকা প্রকাশের পর এই জায়গায় অনেকের অবস্তান ছিল এমন , আমার জেলায় একটি বা দুটি বা আমার বিভাগে বেশী এ ধরনের হিসেব নিকাশ । এমনকি ভিন্ন মতাবলম্বী অনেকেই এলাকার মন্ত্রী পদ নিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন ।
মন্ত্রী নিয়ে গর্ববোধ বা শক্তিবোধ হতেই পারে যদিও মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কোন এলাকার নির্দিষ্ট প্রতিনিধি নন , উনি মাননীঁয প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত নির্দিষ্ট মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রের একজন দায়িত্বশীল অফিস বেয়ারার। এধরনের চাকুরী যে কোন সময় চলে যেতে পারে বা অনেক দেশে নিজের ব্যর্থতার দায়ে অনেকেই চলে যান । তবে এটা বলা যায় নিজ এলাকায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগপ্রাপ্ত হলে বিশেষ করে নিজ এলাকায় বড় ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আসতে সক্ষম হন ও সরকারী বাড়তি অনুদান, সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন , তাই নেতা কর্মীরা বেশী উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন ।
আমি নেত্রকোণা জেলার অধিবাসী , আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কমবেশী অনেকের সংগে পরিচিত , ২০১৮ সালে আমার জেলায় একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন , আমি খুশী হয়ে অভিনন্দন অবশ্যই জানিয়েছিলাম তবে অফিসে যোগদানের পর পাঁচ বছরে একদিন ও কোন কাজে অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি বা যায়নি যা ব্যক্তিগত বটে, এলাকার উন্নয়ন কতটুকু বাগিয়ে নিয়েছেন তা এলাকাবাসীর হাতেই রইলো ।

আমাদের বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগ আওয়ামী লীগের সুতিকাগার যা অনেক নির্বাচনে আমরা প্রমান রেখেছি । এমনকি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পিছনে ময়মনসিংহ অন্চলের সমর্থন বিরাট ভুমিকা রেখেছিল বলে অনেকেই জানেন । মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার । ভোটের বিবেচনায় আমরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অন্চল ও আমার নিজ জেলা নেত্রকোণায় গুরুত্বপুর্ন মন্ত্রনালয়ের প্রত্যাশা করি। আজ সন্ধ্যায় নুতন মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহনের মধ্য দিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হবে , আমরা সরকারের সফলতা কামনা করছি ও মন্ত্রী সভার সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই । জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা সকল চ্যালেন্জ মোকাবেলা করে দেশকে কাঙ্খিত লক্ষে পৌছে দিতে পারবে বলে আশাবাদী । শেখ হাসিনার হাতে থাকলে দেশ
পথ হারাবেনা বাংলাদেশ ।