

অন্ধকারে পড়ে থাকা শিকল গুলো,
রাতের বুকে জমে থাকা অশ্রু জমা জল।
বর্বরতার ছোবলে নিভে যায়
রঙিন স্বপ্ন,
মরুর গর্তে কিংবা চিতার আগুনে পুড়ে।
নারী নামের সহস্র সূর্য ওঠো আজ,
ভেঙে দেবে সব নৃশংসতার –
লৌহ কঠিন শৃংখল। মুখ ঢেকে রাখা সেই চাঁদনীরা,
ফুঁটে উঠুক অগ্নিশিখার ভাষায়। প্রতিটি দাগ,প্রতিটি ক্ষতের গল্প,লিখবে আলোর অক্ষরে নতুন ইতিহাস।
ঝড়ের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা গোলাপেরা,
বুকের জমিনে লালন করে অমলিন স্বপ্নের মঞ্জুরি।
দীপ্তকণ্ঠে বলো, এবার সময় ঘুরে দাঁড়াবার,
আমরাও মানুষ আমাদেরও আছে বাঁচার অধিকার।
নদী যেমন সাগরকে ডাকে অবিরাম,
তেমনি নর নারী সব প্রাণ মিলে গড়ব এই পৃথিবী।
নদী সাগরের প্রেমাস্পর্শে আনবো স্বর্গের বেলাভূমি।
যেখানে নারীর রক্তে নয়,
স্বপ্নে রাঙানো,ভয়হীন এক ভোরে জাগবে মানবতা।
ভালোবাসা বাসির ফসলের মাঠ,প্রজাপতি পাখির গান।
নদী,নারী ফুল শিশুর হাসি রোদ-বৃষ্টির উঠোন,
জোসনা প্লাবিত আকাশ সব আমাদের হবে।
সভ্যতার বাগানে ফুটবে শত ফুল রঙিন প্রজাপতির ওড়াউড়িতে
হাসবে স্বর্গের উদ্যান।
লেখক কবি ও কলামিস্ট মোঃ আতাউর রহমান