রাজবাড়ী ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ রাজবাড়ীর কালুখালীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত বালিয়াকান্দিতে যথাযোগ্য মর্যাদায়  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কবিতা : চোখের আর্শিতে মোহ রাজবাড়ী জেলা যুবলীগের সভাপতি শওকত গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দি উপজেলা সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  ১০ম হতে ৯ম গ্রেড-এ উন্নীতকরণের দাবীতে রাজবাড়ী জেলার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের স্মারকলিপি প্রদান কবিতা : চোখ চাতুর্যে ডি. বি. পি বাজারে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সাথে বাজার পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল

শীর্ষ নেতাদের বিদেশে চিকিৎসা,ও মাহাতির মোহাম্মদের চিকিৎসা কাহিনী থেকে শিক্ষা।

ওবায়দুল কাদের,মীর্জা ফকরুলের বিদেশে চিকিৎসা নিতে সিঙ্গাপুর । চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা কিছু দায়িত্বহীন চিকিৎসক।খাতনায় টিউমার গল ব্লাডার পিত্তপাথরের মত ছোটখাটো অপারেশনে রোগীর মৃত্যু।এমন খবরে মানুষ হতাশ। আস্থাহীনতার মাত্রা নিম্নগামী হবে এটাই স্বাভাবিক। এমনিতেই উচ্চবিত্ত মধ‍্যবিত্ত চিকিৎসার জন‍্য বিদেশ মুখী।সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? সাধারণ মানুষ তো মানুষ। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সাধ তাদেরও জাগে। দেশ পরিচালনাকারি নেতা।চিকিৎসক নেতা। প্রাইভেট হাসপাতাল মালিক নেতারা কি বিবেক দিয়ে ভেবে দেখেছেন?পৃথিবীর দেশ ও জনদরদী নেতাদের ভালো কর্মের নজির থেকে কি আপনারা শিখতে পারেন না? শুনুন এমন একজন নেতার চিকিৎসা কাহিনী।

১৯৮৯ সাল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
মাহাথির বিন মোহাম্মদ এর বুকে তীব্র ব্যথা হলে দ্রুত তাকে কুয়ালালামপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। পরীক্ষা করে ধরা পড়লো ধমনিতে চর্বি জমে ব্লক হয়ে গেছে। এই জন্যএনজিও প্লাস্টি করতে হবে, কিন্তু এনজিওপ্লাস্টি করার সুবিধা মালয়েশিয়াতে তেমন ভাল ছিল না।ডাক্তাররা তাকে পাশের দেশ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ বেঁকে বসলেন।
ডাক্তারদের বললেন, “কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যদি অন্য দেশে চিকিৎসা নিতে যায়,এর অর্থই হলো তার নিজ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একদমই ভালো না। এটা তার ব্যর্থতা।বিদেশে গিয়ে আমি চিকিৎসা করাতে পারলেও আমার জনগণের তো সে সামর্থ নেই। আপনারা বলুন কতদিনের ভিতর উন্নত এনজিওপ্লাস্টির প্রযুক্তি দেশে আনতে পারবেন?” ডাক্তাররা অনেকবার তাকে বুঝালেন।কিন্তু মাহাথিরমোহাম্মদ তাঁর সিদ্ধান্তে অটল।উপায়ন্তর নাদেখে মালয়েশিয়ার চিকিৎসকরাই করলেন তার হার্ট বাইপাস সার্জারী। সুস্থ হলেন তিনি।এই ঘটনার তিন বছর পর১৯৯২ সালেই মাহাথির মোহাম্মদ এর চেষ্টায় স্থাপিত হয়েছিলো ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট অফ মালয়েশিয়া। আরো দুই বার হার্ট এটাক হয়েছিল তার।প্রতিবারই তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন তার নিজের প্রতিষ্ঠিত হার্ট ইনস্টিটিউটে।( সংগ্রহ )আমরা কেন পারিনা? কেন আমাদের পাশের দেশে দৌড়াতে হয়? কেন আমাদের এত অর্থের অপচয় হয়?।এম.পি মন্ত্রী, বিত্তবানরা একটু মাথা ব্যাথা হলেও দেশের বাহিরে আর গরীব সাধারণ আমজনতার চিকিৎসার জন‍্য উন্নত সাশ্রয়ী কোনো ব‍্যবস্থা নাই। আমরা কি আমাদের জাতির পিতা আর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন সফল করে উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারিনা?অন্ন বস্র আশ্রয় চিকিৎসা শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে।রাষ্ট্রপরিচালনার নেতৃত্বের দিকে জাতি আশায় বুকবেধে চাতক পাখির মত তাকিয়ে থাকে। আসুন আমারা ব‍্যক্তি স্বার্থ না দেখে। রাষ্টস্বার্থ জনস্বার্থ জাতিস্বার্থে গুরুত্বদেই ।তা শুধু কথায় নয় কর্মে প্রমাণ করে দেখাই।এতে করে চিকিৎসা সেবা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি বাঁচবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হবে দেশ। উন্নত স্বাস্থ্যবান সমৃদ্ধ জাতিগঠনের যার কোনো বিকল্প নেই। শুধু  নিজের চিকিৎসা নিজের  বাঁচি নয়। সবার জন‍্য চিকিৎসা নিশ্চিত হোক এটাই সবার কাম‍্য।

 

 

About Author Information

বালিয়াকান্দিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন

শীর্ষ নেতাদের বিদেশে চিকিৎসা,ও মাহাতির মোহাম্মদের চিকিৎসা কাহিনী থেকে শিক্ষা।

প্রকাশিত : ০৬:০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

ওবায়দুল কাদের,মীর্জা ফকরুলের বিদেশে চিকিৎসা নিতে সিঙ্গাপুর । চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা কিছু দায়িত্বহীন চিকিৎসক।খাতনায় টিউমার গল ব্লাডার পিত্তপাথরের মত ছোটখাটো অপারেশনে রোগীর মৃত্যু।এমন খবরে মানুষ হতাশ। আস্থাহীনতার মাত্রা নিম্নগামী হবে এটাই স্বাভাবিক। এমনিতেই উচ্চবিত্ত মধ‍্যবিত্ত চিকিৎসার জন‍্য বিদেশ মুখী।সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? সাধারণ মানুষ তো মানুষ। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সাধ তাদেরও জাগে। দেশ পরিচালনাকারি নেতা।চিকিৎসক নেতা। প্রাইভেট হাসপাতাল মালিক নেতারা কি বিবেক দিয়ে ভেবে দেখেছেন?পৃথিবীর দেশ ও জনদরদী নেতাদের ভালো কর্মের নজির থেকে কি আপনারা শিখতে পারেন না? শুনুন এমন একজন নেতার চিকিৎসা কাহিনী।

১৯৮৯ সাল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
মাহাথির বিন মোহাম্মদ এর বুকে তীব্র ব্যথা হলে দ্রুত তাকে কুয়ালালামপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। পরীক্ষা করে ধরা পড়লো ধমনিতে চর্বি জমে ব্লক হয়ে গেছে। এই জন্যএনজিও প্লাস্টি করতে হবে, কিন্তু এনজিওপ্লাস্টি করার সুবিধা মালয়েশিয়াতে তেমন ভাল ছিল না।ডাক্তাররা তাকে পাশের দেশ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ বেঁকে বসলেন।
ডাক্তারদের বললেন, “কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যদি অন্য দেশে চিকিৎসা নিতে যায়,এর অর্থই হলো তার নিজ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একদমই ভালো না। এটা তার ব্যর্থতা।বিদেশে গিয়ে আমি চিকিৎসা করাতে পারলেও আমার জনগণের তো সে সামর্থ নেই। আপনারা বলুন কতদিনের ভিতর উন্নত এনজিওপ্লাস্টির প্রযুক্তি দেশে আনতে পারবেন?” ডাক্তাররা অনেকবার তাকে বুঝালেন।কিন্তু মাহাথিরমোহাম্মদ তাঁর সিদ্ধান্তে অটল।উপায়ন্তর নাদেখে মালয়েশিয়ার চিকিৎসকরাই করলেন তার হার্ট বাইপাস সার্জারী। সুস্থ হলেন তিনি।এই ঘটনার তিন বছর পর১৯৯২ সালেই মাহাথির মোহাম্মদ এর চেষ্টায় স্থাপিত হয়েছিলো ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট অফ মালয়েশিয়া। আরো দুই বার হার্ট এটাক হয়েছিল তার।প্রতিবারই তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন তার নিজের প্রতিষ্ঠিত হার্ট ইনস্টিটিউটে।( সংগ্রহ )আমরা কেন পারিনা? কেন আমাদের পাশের দেশে দৌড়াতে হয়? কেন আমাদের এত অর্থের অপচয় হয়?।এম.পি মন্ত্রী, বিত্তবানরা একটু মাথা ব্যাথা হলেও দেশের বাহিরে আর গরীব সাধারণ আমজনতার চিকিৎসার জন‍্য উন্নত সাশ্রয়ী কোনো ব‍্যবস্থা নাই। আমরা কি আমাদের জাতির পিতা আর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন সফল করে উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারিনা?অন্ন বস্র আশ্রয় চিকিৎসা শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে।রাষ্ট্রপরিচালনার নেতৃত্বের দিকে জাতি আশায় বুকবেধে চাতক পাখির মত তাকিয়ে থাকে। আসুন আমারা ব‍্যক্তি স্বার্থ না দেখে। রাষ্টস্বার্থ জনস্বার্থ জাতিস্বার্থে গুরুত্বদেই ।তা শুধু কথায় নয় কর্মে প্রমাণ করে দেখাই।এতে করে চিকিৎসা সেবা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি বাঁচবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হবে দেশ। উন্নত স্বাস্থ্যবান সমৃদ্ধ জাতিগঠনের যার কোনো বিকল্প নেই। শুধু  নিজের চিকিৎসা নিজের  বাঁচি নয়। সবার জন‍্য চিকিৎসা নিশ্চিত হোক এটাই সবার কাম‍্য।