
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে বসে ব্যাক্তিগত ভাবে জ্বালানী তেলের খরচ বহন করে আগামী জুন মাস পর্যন্ত জরুরী এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রাখার ঘোষণা দেন মোস্তফা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি।
গত ০৫ ফেব্রুয়ারি নোটিশ দিয়ে এ্যাম্বলেন্স সেবা বন্ধ করে দেয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীর নজরে আসলে তিনি বিষয়টি সমাধান করার অনুরোধ করেন উপজেলা চেয়ারম্যানকে। এরই আলোকে মো. মোস্তফা মুন্সি বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল পরিদর্শন করে এ উদ্যোগ নেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফারসিম তারান্নুম হক বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাজেট শাখা থেকে বরাদ্দ আসে বাৎসরিক ১০ লাখ টাকা। তা জানুয়ারি মাসেই শেষ হয়ে যায়। তাই বাধ্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
২০১০ সালে এই হাসপাতালটি ২০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগী ও গোয়ালন্দ উপজেলার দুই লাখ মানুষ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। অথচ এমন গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ ছিলো।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, প্রতি ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫০ জন রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এরমধ্যে গুরুতর অনেক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজবাড়ী সদর ও পার্শ্ববর্তী জেলা ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা বাড়তি অর্থের সঙ্গে ভোগান্তিতে পড়েন।